ভারতীয় গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ঘটনার শুরু ২০১৮ সালের একটি বাংলা সিনেমাকে ঘিরে। মহুয়া চক্রবর্তী পরিচালিত ওই ছবিতে অভিনয়ের কথা ছিল সোহমের। চুক্তি অনুযায়ী তাকে অগ্রিম ১৫ লাখ টাকা দেওয়া হয়। তবে পরে পরিচালক অভিযোগ করেন, প্রযোজকের আচরণে অসন্তুষ্ট হয়ে তিনি নিজেই প্রকল্প থেকে সরে দাঁড়ান। এরপর দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও সিনেমাটির কাজ আর শুরু হয়নি।
সম্প্রতি প্রযোজক তরুণ দাস সেই অগ্রিম অর্থ ফেরত দাবি করেন বলে জানা গেছে। তবে এ বিষয়ে সোহমের অবস্থান ভিন্ন। তার দাবি, শিল্পীর পক্ষ থেকে চুক্তি ভঙ্গ না হলে বা অভিনেতা নিজে কাজ ছেড়ে না দিলে অগ্রিম টাকা ফেরত দেওয়ার কোনো বাধ্যবাধকতা থাকে না। তাই তিনি টাকা ফেরত দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন।
অন্যদিকে প্রযোজকের দাবি, সিনেমার শুটিং শুরু করার জন্য একাধিকবার সময় চাওয়া হলেও সোহম নাকি ডেট দেননি। ফলে পুরো প্রকল্প আটকে যায়।
বিতর্ক নতুন মোড় নেয় গত মঙ্গলবার রাতে। সোহমের অভিযোগ, ওই রাতে প্রযোজক ফোনে তাকে গালিগালাজ করার পাশাপাশি প্রাণনাশের হুমকিও দেন। এরপরই তিনি আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন।
ঘটনাটি ঘিরে টলিউড অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। দুই পক্ষের পরস্পরবিরোধী বক্তব্যে পুরো বিষয়টি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।