• রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৬:২০ অপরাহ্ন
Headline
৬১ বছর বয়সে তৃতীয়বার বিয়ে, গৌরীর হাত ধরে নতুন ইনিংস শুরু আমির খানের ত্রিদেশীয় চলচ্চিত্র উৎসবে প্রধান বিচারক মোশাররফ করিম দ্বিতীয় বিয়ের খবর জানিয়ে মা হওয়ার ঘোষণা মৌসুমী হামিদের ভোট বিক্রির অভিযোগ তুলে আল্লাহর কাছে বিচার চাইলেন পলি শিল্পী সমিতির নতুন কমিটির জয়: প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পরিকল্পনা বদলে বড় পর্দায় অপু বিশ্বাসের ‘শিকার’ নতুন নেতৃত্বে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি: সভাপতি শিবা শানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী শাওনকে মবের শিকার করার প্রতিবাদে মুখ খুললেন পিয়া জান্নাতুল হঠাৎ হুইলচেয়ারে পরীমণি, রহস্য ঘিরে নানা জল্পনা জয়-পরাজয় ভুলে চলচ্চিত্রের স্বার্থে এক হওয়ার আহ্বান আবুল হায়াতের

বাংলা গানের উজ্জ্বল নক্ষত্র সৈয়দ আব্দুল হাদীর ৮৬তম জন্মবার্ষিকী

ডেস্ক নিউজ / ৩২ পঠিত
আপডেট : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬

বাংলা গানের ইতিহাসে যে কজন শিল্পী নিজের কণ্ঠে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে মুগ্ধ করেছেন, তাদের অন্যতম একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীতশিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী। পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে অসংখ্য কালজয়ী গান উপহার দিয়ে তিনি হয়ে উঠেছেন দেশের সংগীতাঙ্গনের এক জীবন্ত কিংবদন্তি। আজ (১ জুলাই) তার ৮৬তম জন্মবার্ষিকী।

১৯৪০ সালের ১ জুলাই ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার শাহপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন সৈয়দ আব্দুল হাদী। তবে তার শৈশব ও কৈশোর কেটেছে আগরতলা, সিলেট, ব্রাহ্মণবাড়িয়া এবং কলকাতায়।
তার বাবা সৈয়দ আব্দুল হাই ছিলেন তৎকালীন সরকারি কর্মকর্তা। একই সঙ্গে তিনি ছিলেন সংগীতপ্রেমী মানুষ। বাবার গ্রামোফোনে বিভিন্ন শিল্পীর গান শুনতে শুনতেই ছোটবেলা থেকে সংগীতের প্রতি গভীর অনুরাগ জন্ম নেয় আব্দুল হাদীর। পরে নিজের চেষ্টাতেই গান শেখা ও চর্চার মাধ্যমে গড়ে ওঠে তার সংগীতজীবনের ভিত্তি।
শিক্ষাজীবনে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা করেন। পরবর্তীতে বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রযোজক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কর্মজীবনের একটি পর্যায়ে যুক্তরাজ্যের ওয়েলস ইউনিভার্সিটিতে প্রিন্সিপাল লাইব্রেরিয়ান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।
ছাত্রজীবনেই চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক গানের মাধ্যমে সংগীতজগতে যাত্রা শুরু হয় তার। ১৯৬৪ সালে ‘ডাকবাবু’ সিনেমায় একক কণ্ঠে গান গাওয়ার মধ্য দিয়ে চলচ্চিত্রে তার পথচলা শুরু হয়। এরপর একের পর এক জনপ্রিয় গান উপহার দিয়ে তিনি বাংলা গানের ভুবনে নিজের স্বতন্ত্র অবস্থান তৈরি করেন।
তার কণ্ঠে ‘একবার যদি কেউ ভালোবাসতো’, ‘আছেন আমার মোক্তার, আছেন আমার ব্যারিস্টার’, ‘যেও না সাথী’, ‘এমনও তো প্রেম হয়’, ‘চোখ বুঝিলে দুনিয়া আন্ধার’, ‘চলে যায় যদি কেউ বাঁধন ছিঁড়ে’, ‘যে মাটির বুকে ঘুমিয়ে আছে’, ‘জন্ম থেকে জ্বলছি মাগো’সহ অসংখ্য গান আজও সমান জনপ্রিয়।
সংগীতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সৈয়দ আব্দুল হাদী পাঁচবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে শ্রেষ্ঠ গায়কের সম্মান অর্জন করেন। এছাড়া ২০০০ সালে তিনি দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মান একুশে পদকে ভূষিত হন।
আজ তার জন্মদিনে ভক্ত, সহশিল্পী ও শুভানুধ্যায়ীরা এই গুণী শিল্পীর সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছেন। বাংলা গানের আকাশে তার অবদান চিরকাল উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category