• শুক্রবার, ০৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫২ অপরাহ্ন

বিনা টিকিটে তিন দিনে ছয় সিনেমা, শুরু হচ্ছে ‘একাল-সেকাল’ উৎসব

ডেস্ক নিউজ / ৪৮ পঠিত
আপডেট : রবিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৬

চলচ্চিত্রপ্রেমীদের জন্য সুখবর। সমকালীন সিনেমার পাশাপাশি দেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ও কালজয়ী কিছু নির্মাণ দেখার সুযোগ নিয়ে আজ (৯ আগস্ট) বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী বিশেষ চলচ্চিত্র উৎসব ‘একাল-সেকাল’। উৎসবে তিন দিনে প্রদর্শিত হবে ছয়টি সিনেমা। দর্শকদের জন্য সব প্রদর্শনীই থাকছে বিনা প্রবেশমূল্যে।

‘সবার জন্য চলচ্চিত্র, সবার জন্য শিল্প-সংস্কৃতি’ প্রতিপাদ্যে আয়োজিত উৎসবটি চলবে ১১ আগস্ট পর্যন্ত। একই আয়োজনে নতুন সময়ের সিনেমার সঙ্গে দর্শক ফিরে দেখতে পারবেন দেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য কিছু সৃষ্টি।

প্রথম দিন

উৎসবের প্রথম দিন আজ সন্ধ্যা ৬টায় প্রদর্শিত হবে মেজবাউর রহমান সুমন পরিচালিত আলোচিত সিনেমা ‘রইদ’। কোরবানির ঈদে মুক্তির পর সিনেমাটি দর্শকদের মধ্যে বেশ আগ্রহ তৈরি করে। দেশের পাশাপাশি বিদেশেও ছবিটি প্রশংসা পেয়েছে। এতে অভিনয় করেছেন মোস্তাফিজুর নূর ইমরান ও নাজিফা তুষি।

প্রথম দিনের দ্বিতীয় প্রদর্শনী শুরু হবে রাত ৮টায়। এ সময় দেখানো হবে কিংবদন্তি নির্মাতা জহির রায়হানের কালজয়ী সিনেমা ‘জীবন থেকে নেয়া’। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ এই ছবিতে অভিনয় করেছেন রাজ্জাক, সুচন্দা, রোজী সামাদ, খান আতাউর রহমান, রওশন জামিল ও আনোয়ার হোসেনসহ সে সময়ের খ্যাতিমান শিল্পীরা।

দ্বিতীয় দিন

উৎসবের দ্বিতীয় দিন ১০ আগস্ট বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে প্রদর্শিত হবে খান আতাউর রহমান পরিচালিত ‘আবার তোরা মানুষ হ’। একই দিন রাত ৮টায় দর্শক দেখতে পারবেন মোহাম্মদ নূরুজ্জামান পরিচালিত সমকালীন সিনেমা ‘মাস্তুল’।

শেষ দিনে দুই প্রজন্মের দুই সিনেমা

১১ আগস্ট উৎসবের শেষ দিনে বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে দেখানো হবে বরেণ্য নির্মাতা আমজাদ হোসেন পরিচালিত ‘দুই পয়সার আলতা’। এরপর রাত ৮টায় প্রদর্শিত হবে আকাশ হক পরিচালিত ‘দ্য ইউনিভার্সিটি অব চানখাঁরপুল’। এর মধ্য দিয়ে পর্দা নামবে তিন দিনের ‘একাল-সেকাল’ চলচ্চিত্র উৎসবের।

আয়োজকদের পরিকল্পনায় ছয়টি সিনেমা নির্বাচনের মধ্যেও রাখা হয়েছে সময়ের বৈচিত্র্য। একদিকে যেমন থাকছে সাম্প্রতিক সময়ের আলোচিত সিনেমা, অন্যদিকে দর্শক দেখতে পারবেন বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকা বেশ কিছু নির্মাণ। ফলে একই উৎসবে ভিন্ন সময় ও ভিন্ন ঘরানার সিনেমা দেখার সুযোগ পাচ্ছেন চলচ্চিত্রপ্রেমীরা।

বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির নাট্যকলা ও চলচ্চিত্র বিভাগের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এ উৎসবে সহযোগিতা করছে সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উৎসবটি সবার জন্য উন্মুক্ত। কোনো প্রবেশমূল্য ছাড়াই দর্শকরা তিন দিনে ছয়টি সিনেমার প্রদর্শনী উপভোগ করতে পারবেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ বিভাগের আরো সংবাদ