পশ্চিমবঙ্গের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পালাবদলের প্রেক্ষাপটে টালিউড তারকাদের প্রতিক্রিয়া নিয়ে আলোচনা চলছে নানা মহলে। এরই মধ্যে আলোচনায় উঠে এসেছেন অভিনেত্রী ও সাবেক সাংসদ মিমি চক্রবর্তী। আরজি কর মেডিকেল কলেজকেন্দ্রিক ঘটনায় নির্যাতিতার মায়ের নির্বাচনী জয়ের পর নিজের অনুভূতি প্রকাশ করেছেন তিনি।
নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া এক প্রতিক্রিয়ায় মিমি বলেন, এই জয় তার কাছে ‘খুবই ব্যক্তিগত’। শুরু থেকেই ওই ঘটনার প্রতিবাদে সরব ছিলেন তিনি। দোষীদের বিচারের দাবিতে রাজপথে নামার পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও সক্রিয় ছিলেন এই অভিনেত্রী।
এই অবস্থানের কারণে তাকে কটূক্তি ও হুমকির মুখেও পড়তে হয়েছে। তবে সেসবকে উপেক্ষা করে নিজের অবস্থান থেকে সরে আসেননি মিমি। বরং স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, কোনো ধরনের চাপ বা ভয় দেখিয়ে তাকে থামানো যাবে না।
নির্যাতিতার মা নির্বাচনে জয়ী হওয়ার খবর শেয়ার করে মিমি আরও উল্লেখ করেন, এই অর্জন তার কাছে গভীরভাবে স্পর্শকাতর হলেও এটি কখনোই একজন মায়ের অপূরণীয় ক্ষতির সমান হতে পারে না।
উল্লেখ্য, মিমি চক্রবর্তী ২০১৯ সালে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসেবে যাদবপুর আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। তবে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের আগেই তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ান এবং দলীয় প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়-এর কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন।
রাজনৈতিক পরিচয়ের বাইরে গিয়ে একটি মানবিক ইস্যুতে তার দৃঢ় অবস্থান সাধারণ মানুষের কাছে প্রশংসিত হয়েছে। এই প্রতিক্রিয়া যেন আবারও মনে করিয়ে দিল—পর্দার বাইরে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবেও নিজের অবস্থান তুলে ধরতে পিছপা নন মিমি।