বুধবার (১৩ মে ২০২৬) বিএফডিসিতে কেক কেটে চিত্রনায়ক হেলাল খান-এর জন্মদিন উদযাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চলচ্চিত্র পরিচালক সায়মন তারিকসহ তার পুরো টিম।
১৯৬৯ সালের ২৫ নভেম্বর সিলেটের বিয়ানিবাজার উপজেলায় জন্ম নেওয়া হেলাল খান বাংলাদেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনের পরিচিত মুখ। তিনি একাধারে অভিনেতা, চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, রাজনীতিবিদ এবং কলামিস্ট হিসেবে কাজ করছেন। ১৯৯৪ সাল থেকে তিনি চলচ্চিত্রে যুক্ত থেকে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
তার প্রথম চলচ্চিত্র ছিল ‘প্রিয় তুমি’ (১৯৯৫)। এরপর একের পর এক ছবিতে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি দর্শকের নজর কাড়েন। তার উল্লেখযোগ্য চলচ্চিত্রের মধ্যে রয়েছে ‘বাজিগর’, ‘সাগরিকা’, ‘আশা আমার আশা’, ‘কিলার’ (২০০০), ‘কুখ্যাত খুনী’ (২০০০), ‘জুয়ারি’ (২০০২), ‘হাসন রাজা’ (২০০৩), ‘ওরা সাহসী’ (২০০৩), ‘মমতাজ’ (২০০৫), ‘ধ্রুবতারা’ (২০০৬), ‘গুরু ভাই’ (২০০৯), ‘মুক্তি’ (২০১৪), ‘নাকফুল’, ‘আপসহীন’, ‘লেট মেরেজ’, ‘মেঘের অনেক রং’ ও ‘প্রাণের ময়না’।
৫০টিরও বেশি সিনেমায় কাজ করা হেলাল খান তার অভিনয় জীবনে ২০০২ ও ২০০৩ সালে দুইবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন।
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি তিনি রাজনীতিতেও সক্রিয়। তিনি বিএনপির অঙ্গসংগঠন জাতীয়তাবাদী সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংস্থা (জাসাস)-এর সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে মনোনয়ন পেয়ে ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতাও করেন তিনি।