• রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৭:২৯ অপরাহ্ন
Headline
৬১ বছর বয়সে তৃতীয়বার বিয়ে, গৌরীর হাত ধরে নতুন ইনিংস শুরু আমির খানের ত্রিদেশীয় চলচ্চিত্র উৎসবে প্রধান বিচারক মোশাররফ করিম দ্বিতীয় বিয়ের খবর জানিয়ে মা হওয়ার ঘোষণা মৌসুমী হামিদের ভোট বিক্রির অভিযোগ তুলে আল্লাহর কাছে বিচার চাইলেন পলি শিল্পী সমিতির নতুন কমিটির জয়: প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার পরিকল্পনা বদলে বড় পর্দায় অপু বিশ্বাসের ‘শিকার’ নতুন নেতৃত্বে চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতি: সভাপতি শিবা শানু, সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী শাওনকে মবের শিকার করার প্রতিবাদে মুখ খুললেন পিয়া জান্নাতুল হঠাৎ হুইলচেয়ারে পরীমণি, রহস্য ঘিরে নানা জল্পনা জয়-পরাজয় ভুলে চলচ্চিত্রের স্বার্থে এক হওয়ার আহ্বান আবুল হায়াতের

মানুষের ভালোবাসাই আমার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি: সৈয়দ আব্দুল হাদী

ডেস্ক নিউজ / ৩০ পঠিত
আপডেট : রবিবার, ১৪ জুন, ২০২৬

সংগীতের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটানোর সুযোগ সবসময়ই বিশেষ। আর সেই মানুষটি যদি হন দেশের কিংবদন্তি কণ্ঠশিল্পী সৈয়দ আব্দুল হাদী, তাহলে অভিজ্ঞতাটি হয়ে ওঠে আরও স্মরণীয়। গত শনিবার রাজধানীর বারিধারায় তাঁর বাসভবনে এমনই এক উষ্ণ ও আন্তরিক আড্ডার সুযোগ হয়েছিল।

এর আগের দিন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এবং বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির আয়োজনে ‘কালজয়ী কণ্ঠ: শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার সৈয়দ আব্দুল হাদী’ অনুষ্ঠানে বিশেষ সম্মাননায় ভূষিত হন তিনি। দীর্ঘ সংগীতজীবনের স্বীকৃতি হিসেবে পাওয়া এই সম্মাননা নিয়ে কথা বলতে গিয়ে বরাবরের মতোই বিনয়ী ছিলেন শিল্পী।

তিনি বলেন, যে কোনো সম্মাননাই একজন শিল্পীর জন্য আনন্দের। তবে মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধাকেই তিনি জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন বলে মনে করেন। দীর্ঘ পথচলায় অসংখ্য পুরস্কার পেয়েছেন, কিন্তু শ্রোতাদের ভালোবাসার সঙ্গে কোনো কিছুর তুলনা হয় না বলেই তাঁর বিশ্বাস।

ছয় দশকেরও বেশি সময় ধরে বাংলা গানে অবদান রেখে আসা এই শিল্পী এখন আর নিয়মিত গান করেন না। নতুন গান কিংবা মঞ্চে তাঁর উপস্থিতিও কমে গেছে। এর কারণ জানতে চাইলে তিনি জানান, করোনার পর শারীরিক কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে। আগের মতো গাইতে না পারায় নিজেকে কিছুটা গুটিয়ে নিয়েছেন। তবে গান থেকে দূরে সরে যাননি। এখনও নিজের জন্য গান করেন, গুনগুন করে সুরে ডুবে থাকেন দিনের বেশিরভাগ সময়।

আড্ডায় উঠে আসে বর্তমান সময়ের গান নিয়েও তাঁর ভাবনা। তাঁর মতে, এখন অনেক গানই দ্রুত জনপ্রিয় হওয়ার লক্ষ্য নিয়ে তৈরি হচ্ছে। ফলে গানের স্বকীয়তা ও শিল্পমান অনেক ক্ষেত্রে হারিয়ে যাচ্ছে। তিনি মনে করেন, একটি ভালো গান মানুষের হৃদয়ে বছরের পর বছর বেঁচে থাকে, কিন্তু ভাইরাল হওয়া সব গান সেই পরীক্ষায় টিকে থাকতে পারে না।

শুধু গান নয়, দেশের ভবিষ্যৎ নিয়েও ভাবেন এই গুণী শিল্পী। তাঁর বিশ্বাস, প্রত্যেক মানুষের উচিত নিজের অবস্থান থেকে দেশের জন্য কিছু করা। দেশকে ভালোবাসা এবং দেশের প্রতি দায়িত্ববোধই পারে একটি জাতিকে এগিয়ে নিতে।

সেদিনের আড্ডা ছিল স্মৃতিচারণ, অভিজ্ঞতা আর প্রজ্ঞার মিশেলে ভরপুর। একজন শিল্পীর সাফল্যের গল্পের পাশাপাশি জানা হলো তাঁর দর্শন, অনুভূতি এবং সময়কে দেখার দৃষ্টিভঙ্গি। বিদায়ের সময় মনে হচ্ছিল, এটি শুধু একটি সাক্ষাৎ নয়, বরং একজন কিংবদন্তির জীবনবোধকে কাছ থেকে জানার বিরল সুযোগ।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category