নির্মাতার তথ্য অনুযায়ী, গোপালগঞ্জের চান্দার বিল এলাকায় প্রথম ধাপের শুটিং সম্পন্ন হয়েছে। ধারণ করা দৃশ্যগুলোর সম্পাদনাও শেষ হয়েছে। এখন বর্ষাকালকে ঘিরে বাকি অংশের শুটিংয়ের প্রস্তুতি চলছে।
জসীমউদ্দীনের কালজয়ী এই রচনায় উঠে এসেছে শিমুলতলী গ্রামের দুই সম্প্রদায়ের মানুষের জীবনযাপন, সম্পর্ক ও ভালোবাসার গল্প। সেই গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র সোজন ও দুলী। তাদের প্রেম, সামাজিক বিভাজন এবং শেষ পর্যন্ত হৃদয়বিদারক বিচ্ছেদই চলচ্চিত্রের মূল উপজীব্য।
চলচ্চিত্রটিতে সোজন চরিত্রে অভিনয় করছেন তনয় বিশ্বাস এবং দুলীর ভূমিকায় রয়েছেন রাদিফা নারমিন। পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন চরিত্রে দেখা যাবে চিত্রলেখা গুহ, কাজী রাজু, শাহ আলম দুলাল, আহসানুল হক মিনু, জয়িতা মহলানবিশ, সংগীতা চৌধুরী, দেবাশীষ ঘোষ, শুভাশীষ ভৌমিকসহ আরও অনেককে।
চিত্রনাট্য রচনার দায়িত্বও নিজেই পালন করছেন তানভীর মোকাম্মেল। চিত্রগ্রহণে আছেন রাকিবুল হাসান। শিল্প নির্দেশনা ও প্রধান সহকারী পরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন উত্তম গুহ। কাস্টিং ও কস্টিউম পরিকল্পনা করছেন চিত্রলেখা গুহ, আর সংগীত পরিচালনা করছেন সৈয়দ সাবাব আলী আরজু।
উল্লেখ্য, চলচ্চিত্রটির সহ-প্রযোজক হিসেবে যুক্ত হয়েছেন কবি জসীমউদ্দীনের কন্যা হাসনা জসীমউদ্দীন মওদুদ। নির্মাতার আশা, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী শীতেই দর্শক বড় পর্দায় দেখতে পাবেন বহুল প্রতীক্ষিত ‘সোজন বাদিয়ার ঘাট’।